ফলদ বৃক্ষ পরিবেশ রক্ষা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে। গবেষণায় জানাগেছে, ৫০ বছর বয়স্ক একটি ফল গাছ তার সারা জীবনে আমাদের যে উপকার করে তার আর্থিক মূল্য ৩০-৪০ লাখ টাকায় যেয়ে দাঁড়ায়। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, অক্সিজেন, কাঠের যোগান, প্রাকৃতিক বিপর্যয় রোধসহ মানুষের খাদ্য, পুষ্টি, পশুপাখির খাবার, খাদ্য নিরাপত্তা এবং রপ্তানি আয়বৃদ্ধিসহ নানা সুবিধা আমরা বৃক্ষ থেকে পেয়ে থাকি। পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, সু-স্বাস্থের জন্য একজন প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তির প্রতিদিন ১১৫ গ্রাম ফল খাওয়া দরকার। কিন্তু প্রয়োজন ও প্রাপ্তির ব্যবধানে আমরা খেতে পারছি মাত্র ৩৫-৪০ গ্রাম। আমাদের আর্থসামাজিক অবস্থায় চড়াদামে বিদেশী ফল আমদানি করে এ চাহিদা মেটানো সম্ভব নয়। তাই স্বাদে, গন্ধে ও পুষ্টিতে সেরা আমাদের দেশীয় ফলগুলোর উৎপাদন দেশব্যাপী বাড়াতে হবে। বর্তমানে বাংলাদেশে ৭০ প্রকারের দেশীয় ফল জন্মে। পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য মতে, ২০০৫-৬ সালে দেশের প্রধান ফলগুলো যেমন আম, কাঁঠাল, লিচু, পেয়ারা, পেঁপে ও তরমুজ চাষের আওতায় ছিল ১ লাখ ২১ হাজার তিন শত হেক্টর জমি। এর থেকে ফলের মোট উৎপাদন হয় ২৯ লাখ ৫১ হাজার ৭’শ মেট্রিক টন। এসব ফলের শতকরা ৬০.৯০ ভাগ উৎপাদন হয় ৪-৫ মাসে আর বাকি ৩৯.১০ ভাগ উৎপাদন হয় অন্য ৭/৮ মাসে। হর্টেক্স ফাউন্ডেশনের তথ্য মতে প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে প্রায় ২০-৩০ মেট্রিক টন তাজা ফলমুল, শাকসবজি ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে রপ্তানী হয়ে থাকে।
পরিবেশ সংরক্ষণে গাছ || একটি গাছ, একটি প্রাণ || পরিবেশ ও মানুষের জীবনে বনভূমির প্রয়োজনীয়তা || Man and Tree || Bengali Essay Writing ||
ফলদ বৃক্ষ পরিবেশ রক্ষা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে। গবেষণায় জানাগেছে, ৫০ বছর বয়স্ক একটি ফল গাছ তার সারা জীবনে আমাদের যে উপকার করে তার আর্থিক মূল্য ৩০-৪০ লাখ টাকায় যেয়ে দাঁড়ায়। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, অক্সিজেন, কাঠের যোগান, প্রাকৃতিক বিপর্যয় রোধসহ মানুষের খাদ্য, পুষ্টি, পশুপাখির খাবার, খাদ্য নিরাপত্তা এবং রপ্তানি আয়বৃদ্ধিসহ নানা সুবিধা আমরা বৃক্ষ থেকে পেয়ে থাকি। পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, সু-স্বাস্থের জন্য একজন প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তির প্রতিদিন ১১৫ গ্রাম ফল খাওয়া দরকার। কিন্তু প্রয়োজন ও প্রাপ্তির ব্যবধানে আমরা খেতে পারছি মাত্র ৩৫-৪০ গ্রাম। আমাদের আর্থসামাজিক অবস্থায় চড়াদামে বিদেশী ফল আমদানি করে এ চাহিদা মেটানো সম্ভব নয়। তাই স্বাদে, গন্ধে ও পুষ্টিতে সেরা আমাদের দেশীয় ফলগুলোর উৎপাদন দেশব্যাপী বাড়াতে হবে। বর্তমানে বাংলাদেশে ৭০ প্রকারের দেশীয় ফল জন্মে। পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য মতে, ২০০৫-৬ সালে দেশের প্রধান ফলগুলো যেমন আম, কাঁঠাল, লিচু, পেয়ারা, পেঁপে ও তরমুজ চাষের আওতায় ছিল ১ লাখ ২১ হাজার তিন শত হেক্টর জমি। এর থেকে ফলের মোট উৎপাদন হয় ২৯ লাখ ৫১ হাজার ৭’শ মেট্রিক টন। এসব ফলের শতকরা ৬০.৯০ ভাগ উৎপাদন হয় ৪-৫ মাসে আর বাকি ৩৯.১০ ভাগ উৎপাদন হয় অন্য ৭/৮ মাসে। হর্টেক্স ফাউন্ডেশনের তথ্য মতে প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে প্রায় ২০-৩০ মেট্রিক টন তাজা ফলমুল, শাকসবজি ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে রপ্তানী হয়ে থাকে।
Very nice
ReplyDeleteভালো😀😀
ReplyDeleteooo
ReplyDeleteখুব সুন্দর সুশিল করে লেখা হয়েছে ভাই। ধন্যবাদ তোমায়।
ReplyDeleteBah... very nice khub sundor khub valo
ReplyDeleteখুব সুন্দর😍💓
ReplyDeleteThanks so much for my help.
ReplyDeleteআমি একজন পশ্চিমবঙ্গবাসী...
ReplyDeleteখুব সুন্দর লাগলো লেখাগুলো...😊
Anek boro rochona dada ektu choto kora likha din
ReplyDeleteNice and useful blog.
ReplyDeleteVisit Best Astrologer in Bhadradri Kothagudem
Hello there, as a newbie to crypto currency trading, I lost a lot of money trying to navigate the market on my own. In my search for a genuine and trusted trader, i came across Anderson Johnny who guided and helped me make so much profit up to the tune of $40,000. I made my first investment with $1,000 and got a ROI of $9,400 in less than 8 days. You can contact this expert trader via email tdameritrade077@gmail.com or on WhatsApp +447883246472 and be ready to share your own testimony
ReplyDelete@#@